অটিজম থাকা মানুষ কেন অনেক সময় Picky Eater হন, এর কারণ কী এবং কীভাবে ধীরে ধীরে উন্নতি করা যায়

অটিজম থাকা অনেক শিশু, কিশোর বা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে picky eating বা খুব বেছে খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। অনেক প্যারেন্ট বলেন—শুধু কয়েকটা নির্দিষ্ট খাবার খায়, নতুন খাবার দেখলেই না বলে, একই ধরনের খাবার বারবার চায়, বা খাবারের রং, গন্ধ, texture নিয়ে খুব সংবেদনশীল। অনেক সময় পরিবার মনে করে এটি জেদ বা অভ্যাসের সমস্যা, কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে sensory, neurological, behavioral এবং routine-related কারণ কাজ করতে পারে।

সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হলো sensory sensitivity। অনেক autistic মানুষের taste, smell, texture, temperature বা appearance-এর প্রতি sensitivity বেশি থাকে। কারও নরম খাবার সহ্য হয় না, কারও crunchy খাবার লাগে, কেউ mixed texture যেমন খিচুড়ি বা stew পছন্দ করে না, আবার কেউ গরম-ঠান্ডা নিয়ে খুব sensitive হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে, কারও কাছে কলার texture অস্বস্তিকর লাগতে পারে, আবার কেউ শুধু crispy খাবারেই comfort পায়। অর্থাৎ খাবার শুধু taste নয়—এটি sensory experience।

আরেকটি বড় কারণ হলো predictability এবং routine-এর প্রয়োজন। অনেক autistic মানুষ পরিচিত জিনিসে নিরাপত্তা অনুভব করেন। তাই একই brand, একই plate, একই shape বা একই ধরনের খাবার repeatedly চাইতে পারেন। নতুন খাবার uncertainty তৈরি করতে পারে, যা anxiety বাড়ায়।

কিছু মানুষের interoception difficulty বা শরীরের ভেতরের signal বোঝার সমস্যা থাকতে পারে। ফলে ক্ষুধা, পেট ভরা বা thirst বুঝতে সমস্যা হতে পারে। আবার chewing skill, oral motor issue, constipation, acid reflux, food allergy বা gastrointestinal discomfort-এর কারণেও picky eating বাড়তে পারে। তাই খাওয়ার সমস্যা খুব বেশি হলে medical কারণও ভাবা জরুরি।

এটি পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—জোর করে খাওয়ানো সাধারণত কাজ করে না। জোর করলে খাবারের সাথে anxiety তৈরি হতে পারে এবং খাবার নিয়ে conflict বেড়ে যায়। পরিবর্তে gradual exposure বেশি কার্যকর।

নতুন খাবার introduce করার সময় “একবারে খেতে হবে” নিয়ম না করে ধাপে ধাপে এগোনো ভালো। প্রথমে শুধু খাবারটা টেবিলে রাখা, পরে ছোঁয়া, তারপর smell করা, পরে ছোট bite নেওয়া—এভাবে exposure বাড়ানো যায়। অনেক autistic মানুষের নতুন খাবার accept করতে অনেকবার exposure লাগে।

Food chaining একটি useful strategy। অর্থাৎ যে খাবার সে already খায়, তার কাছাকাছি কিছু introduce করা। যেমন শুধু french fries খেলে, পরে baked potato wedge, তারপর আলুর অন্য preparation। শুধু সাদা rice খেলে, rice-এর texture কাছাকাছি অন্য food introduce করা।

Visual support অনেক কাজে লাগে। Food chart, “today I try” board বা reward tracking helpful হতে পারে। তবে reward যেন pressure না হয়। “একটা bite খেলেই chocolate” সবসময় কাজ নাও করতে পারে; বরং praise ও positive experience গুরুত্বপূর্ণ।

Meal routine consistent রাখা দরকার। সারাদিন grazing বা বারবার snack দিলে hunger cue কমে যায়। নির্দিষ্ট meal time helpful হতে পারে। একইসাথে খাবারের environment-ও গুরুত্বপূর্ণ—খুব বেশি শব্দ, TV, strong smell বা crowded dining area sensory overload করতে পারে।

প্যারেন্টদের কিছু জিনিস এড়ানো ভালো:

“ও শুধু জেদ করছে” ভাবা

জোর করে মুখে খাবার দেওয়া

অন্য বাচ্চার সাথে তুলনা করা

একবার reject করলেই permanently বাদ দেওয়া


অনেক autistic মানুষের খাবারের variety বাড়তে মাস বা বছরও লাগতে পারে। ছোট progress-ও progress।

যদি picky eating এতটাই বেশি হয় যে—

১০–১৫টার কম খাবার খায়

weight বা growth প্রভাবিত হচ্ছে

severe nutritional concern আছে

extreme distress হচ্ছে

constipation বা health issue বাড়ছে


তাহলে একজন dietitian, Occupational Therapist বা feeding specialist-এর সাহায্য নেওয়া ভালো।

সবশেষে মনে রাখতে হবে, autistic মানুষের picky eating অনেক সময় “খাবার পছন্দ-অপছন্দ” এর চেয়ে বেশি কিছু—এটি sensory processing, predictability এবং body comfort-এর বিষয়। লক্ষ্য হওয়া উচিত খাবার নিয়ে যুদ্ধ কমানো, নিরাপদ অভিজ্ঞতা তৈরি করা এবং ধীরে ধীরে variety বাড়ানো।

Comments

Popular posts from this blog

Developing preliminary speech of Autism

Tab based education to the autistics

Twelve points post covid-19 solution measures to be taken for the persons with disabilities